গোয়াইনঘাটের ত্রাস সুবাস দাস সাবেক আওয়ামী মন্ত্রী ইমরানের ছেলে হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।
৫ আগস্টের আগে গোয়াইনঘাট থানায় কোনো নতুন ইউএনও,অফিসার ইনচার্জ আসলে সুবাস কে যেনো পূজা করতে হবে-ই এমন নিয়ম ছিল।
মন্ত্রী ইমরানের প্রভাব কাটিয়ে গোয়াইনঘাটে হয়ে উঠপ অপরাধ জগতের এক কালো অধ্যায়
সুবাসের হাতের ইশারা যেদিক যায় প্রশাসন সেদিকে যেতে-ই হতো
মন্ত্রী ইমরান আহমদের ছত্র ছায়ায় গোয়াইনঘাটের সাধারণ ভোটার প্রত্যেক টা জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন।
গোয়াইনঘাটে যতটা অপরাধ সংঘটিত হয়েছে আওয়ামী সরকারের আমলে তার প্রত্যেক টার পরিচালক এই সুবাস দাস।
প্রত্যাক্ষদর্শী-রা জানান সুবাস দাস গোয়াইনঘাট বাজারে মিতালি রেস্টুরেন্টের হোটেল ভয় ছিলেন সেখান থেকে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতি করে হয়েছেন শত কোটি টাকার মালিক,জেলা পরিষদের সদস্য।
গোয়াইন নদী বলতে-ই বালু এবং পাথর কান্ড নৌকা থেকে চাঁদাবাজি তে সুবাস কে ধরা নেওয়া হতো সেখান থেকে শত শত কোটি টাকার মালিক সুবাস এ আগস্টের পর গা ডাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে রয়েছেন।
ডেবিল হ্যান্ডে এদের কে আনা জরুরি, গোয়াইনঘাটের খেটে খাওয়া মানুষ কে গ্রেফতার না করে সুবাস কে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন।



















