পনেরো মামলার পলাতক আসামী মোটর সাইকেল চোর কাওসার হোসেন আত্মগোপনে। নারী সাপ্লাই, দেহ ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি ছিনতাই, বলৎকার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ একাধিক অপরাধে কুখ্যাত এ ইয়াবা সাপ্লাইয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। পলাতক এ চিহ্নিত অপরাধী ও তার পরিবারের অপরাধের ফিরিস্তি নিয়ে ৩০ পর্বের ধারাবাহিক সাজানো হয়েছে। আজ একাদশ পর্ব ………………………………………………………..
বলৎকার কাওসারের মা ও বোনের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। সিলেট অতিরিক্ত চীফ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আজ বলৎকার কাওসারের মা ও বোনের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। কাওসারের মা রহিমা খাতুন গর্ভবতী অবস্থায় জেল হাজতের হাসপাতালে আছেন উল্লেখ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেন।
গত মাস খানেক আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলার টিকরবাড়ীর খাসিখাল ব্রীজের নিচ থেকে বলৎকার কাওসারের মা রহিমা ও বোনকে রাত ১১টায় ইয়াবা সাপ্লাইকালে ডিবি পুলিশ হাতেনাতে ধরে জেল হাজতে প্রেরণ করে। গ্রেফতারের সময় কাওসারের মা রহিমা ৭ মাসের গর্ভবতী ছিলেন। ইতিমধ্যে মা ও মেয়ের ৩ দফা রিমান্ড সম্পন্ন হয়েছে। রিমান্ডে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে বলে জানাযায়। বলৎকার কাওসার, তার ভাই পাঠা মাহবুব ও অন্য একজন অজ্ঞাত পুরুষকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গোলাপগঞ্জে ১৫ মামলার পলাতক আসামী কাওসার হোসেন উরফে চুর কাওসারের মা ও বোনকে ৩০০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উপজেলার খাসিখাল ব্রীজের নিচ থেকে গত ১০ নভেম্বর রাত ১১টায় ইয়াবা সাপ্লাই কালে তাদের গ্রেফতার করে জেলা গোয়ান্দো পুলিশ ডিবি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামী চুর কাওসার ও তার ভাই পাঠা মাহবুবকে খুজছে ডিবি। গ্রেফতাদের হাত থেকে বাঁচতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
জানাযায়, গোলাপগঞ্জের রনকেলী টিকরবাড়ীর মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে চুর কাওসার দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কাওসার ১৫টি মামলার আসামী হয়ে পলাতক থাকায় তার মা ও অবিবাহিত বোন ইয়াবা ব্যবসার দিকে ঝুকে পড়ে। এ কাজে তাদের সাপ্লাইয়ার হিসেবে কাজ করে তার বোনের অবৈধ সম্পর্কের মানুষ ফাটা মাহবুব। তারা দীর্ঘদিন থেকে রাতের আধাঁরে খাসিখাল ব্রীজের নিচে ইয়াবা সাপ্লাই দিতো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশ খবর পেয়ে তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে। বোনের অবৈধ সম্পর্কের কারিগর ফাটা মাহবুব পালিয়ে যায়।
গ্রেফতাদের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ডিবির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে তাদেরকে ৩দিনের রিমান্ডে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। চুর কাওসার দীর্ঘদিন থেকে এলাকা ছাড়া। বর্তমানে শহরের আম্বরখানা বড়বাজার এলাকায় কলোনির মধ্যে বসবাস করছে। সে সিলেটের হোটেলে হোটেলে পতিতা সাপ্লাইয়ের কাজে জড়িত বলে জানা গেছে
সম্পাদক ও প্রকাশক: মিনু বাঙালী, অফিস : ১২৬/এ, উত্তরা, ঢাকা। ই-মেইল : dhakaview88@gmail.com
এই ওয়েব সাইটের লেখা, ভিডিও, ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার নিষেধ।
Copyright © 2026 ঢাকা ভিউ ।. All rights reserved.