পনেরো মামলার পলাতক আসামী মোটর সাইকেল চোর কাওসার হোসেন চুদ লিং পং। নারী সাপ্লাই, দেহ ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা,চেুরি ছিনতাই, বলৎকার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ একাধিক অপরাধে কুখ্যাত এ ফতোয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। পলাতক শতাধিক পুরুষের বীর্য থেকে সৃষ্ট এ অবৈধ সন্তান ও তার পরিবারের অপরাধের ফিরিস্তি নিয়ে ৩০ পর্বের ধারাবাহিক সাজানো হয়েছে। আজ প্রথম পর্ব ………………………………….
পারিবারিক ভাবে অত্যন্ত হতঃদরিদ্র ছিলেন গোলাপগঞ্জের রনকেলী উত্তর গ্রামের টিকর বাড়ির আওলাদ আলী। পেশায় রিক্সা চালক ভদ্রলোক ছিলেন সহজ সরল টাইপের লোক। রিক্সাচালক হলেও ছিল তার আত্মসম্মান। অত্যন্ত আত্মসম্মান বোধ সম্মন্ন আওলাদ আলী বিয়ে করেন কাওসারের মা রহিমা বেগম নামে এক নষ্ট মহিলাকে। রহিমা বেগম পরে বিভিন্ন নাম ধারণ করেন। আত্ম মর্যাদাবোধ সম্পন্ন আওলাদ হোসেন বিয়ের কিছুদিন অতিবাহিত হতে না হতে বুঝতে পারেন তিনি খারাপ মহিলার খপ্পড়ে পড়েছেন। বুঝতে পেরেই তিনি কাজি ডঢকে রহিমা বেগমকে মোহরানাসহ ৩ তালাক দিয়ে দেন। অসহায় আওলাদ হোসেন টিকরবাড়ি এলাকায় বসবাস করেন। কিন্তু নষ্টা মহিলা রহিমা বেগম আওলাদ আলীর বাড়ি ছাড়েন নাই। জোর পূর্বক আওলাদ আলীর বাড়িতে বসবাস করেন। আর অোওলাদ আলী হয়ে যান নিজ বাড়ি ছাড়া।
হরেক নামের অধিকারী রহিমা বেগম সাবেক স্বামী আওলাদ আলীর পৈর্তৃক বাড়িতেই শুরু করেন মাদক সহ দেহ ব্যবসা। যৌবনের রূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে খদ্দরের আসর বসতো বাড়িতে। একই রাতে ৮/১০ জন খদ্দেরকে সামাল দেওয়ার অসীম ক্ষমতা ছিল রহিমা বেগমের। এভাবে খদ্দেরদের দ্বারা কনডম দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে কাওসারসহ তার ভাই-বোনদের জন্ম হয়। সকলেই জানে ওরা আওলাদ হোসেনের সন্তান। আওলাদ হোসেন নিজ ভূমে পরবাসী হয়ে এক সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
রহিমা বেগমের সন্তানরাও তার মতো হয়। একে সন্তানের চেহারা গঠন একেক ধরনের হওয়ায় এলাকার মধ্যেই সন্দেহ দানা বাঁধে এগুলো কত জনের হতে পারে। তাই এলাকাবাসী জানান, একেক সন্তানের দেহে শতাধিক পুরুষের বীর্য হতে পারে। ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত হবে কত জনের বীর্য থেকে একে সন্তানের জন্ম। তার সকল সন্তানের ডিএনএ টেস্টের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

















