বিশেষ প্রতিবেদক ঃ
পনেরো মামলার পলাতক আসামী মোটর সাইকেল চোর কাওসার হোসেন আত্মগোপনে। নারী সাপ্লাই, দেহ ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি ছিনতাই, বলৎকার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ একাধিক অপরাধে কুখ্যাত এ ইয়াবা সাপ্লাইয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। পলাতক এ চিহ্নিত অপরাধী ও তার পরিবারের অপরাধের ফিরিস্তি নিয়ে ৩০ পর্বের ধারাবাহিক সাজানো হয়েছে। আজ ষষ্ঠ পর্ব ...............................................................
সিলেটে অভিনব কায়দায় শো-রুম থেকে কাপড় চুরির অপরাধে একাধিক মামলায় চোর কাওসারকে ধরতে পুলিশের সাড়াঁশি অভিযান চলমান আছে। বিগত বেশ কিছুদিন থেকে কাপড় চোরের গ্যাংলিডার খ্যাত এ কুখ্যাত চোরকে ধরতে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে। তাকে যেকোন মূল্যে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে চোর চক্রের কবল থেকে সিলেট বাসীকে মুক্ত করতে চায় পুলিশ।
জানাযায়, গত সপ্তাহ খানেক ধরে কাওসারকে ধরতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানের টের পেয়ে সে ঘনঘন স্থান ত্যাগ করায় পুলিশের অভিযান কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, কুখ্যাত এ চোর আগে একাধিকবার ধরা খেয়ে জেল খাটায় সে চালাক হয়ে গেছে। তাছাড়া ঘন ঘন মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করায় তার অবস্থান শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। গতরাতে তার গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার টিকরবাড়ী ও খাসিখাল ব্রিজের আশপাশে অভিযান চালালেও তাকে পাওয়া যায় নাই। তবে যেকোন মুহূর্তে সে গ্রেফতার হবে বলে পুলিশ আশাবাদী।
উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরে নগরীর বিভিন্ন বিপনী বিতানে গোলাপগঞ্জ উপজেলার টিকরবাড়ী গ্রামের রিক্সাচালক আওলাদ হোসেনের ছেলে কাওসার হোসেন ওরফে সেলিম হাসান কাওসার নিজেকে আমেরিকা প্রবাসী দাবী করে কৌশলে হাজার হাজার টাকার কাপড় চুরি করে নিয়ে যায়। সে সিলেটে চোর চক্রের সর্দার বলে জানাযায়। ইতিমধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কয়েক চোর ধরা পড়ে। তারা তাদের সর্দার হিসেবে কাওসারের নাম বললে ও নগরীর কয়েকটি দোকানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ কাওসারকে ধরতে তৎপর হয়ে উঠে। সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট তাকে ধরতে কাজ করছে বলে জানাযায়।
এদিকে নগরীর জিন্দাবাজার ও রিকাবীবাজারের ব্যবসায়ীরা চোর কাওসারকে ধরতে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। তারা কাওসারের সন্ধান দাতাকে এই পুরস্কার দিবেন বলে জানিয়েছেন। সন্ধান দাতা চোর কাওসারকে দেখা মাত্র যেকোন থানার পুলিশকে অবগত করতে বলেছেন। সন্ধান দাতার তথ্যের ভিত্তিতে চোর কাওসারকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হলে সন্ধান দাতাকে নগদ ১ লক্ষ টাকা প্রদান করা হবে। পুরস্কার গ্রহীতার তথ্য গোপন রাখা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।
উল্লেখ, কাওসারের মা ও বোন কয়েকদিন আগে গোলাপগঞ্জ উপজেলার টিকরবাড়ী গ্রামের খাসিখাল ব্রীজের নিচ থেকে রাত ১১ টায় ইয়াবা সাপ্লাইকালে হাতে নাতে ধরা খেয়ে বর্তমানে জেলে আছে। তারা বাদাঘাট সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের রজনী গন্ধা সেলে আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মিনু বাঙালী, অফিস : ১২৬/এ, উত্তরা, ঢাকা। ই-মেইল : dhakaview88@gmail.com
এই ওয়েব সাইটের লেখা, ভিডিও, ছবি অনুমতি ব্যতিত ব্যবহার নিষেধ।
Copyright © 2026 ঢাকা ভিউ ।. All rights reserved.