গত কয়েকদিন ধরেই বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করছিল ইন্ডিগো, তবে বৃহস্পতিবার রেকর্ড ৫৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে ১১৮টি, বেঙ্গালুরু থেকে ১০০টি, হায়দরাবাদ থেকে ৭৫টি, কলকাতা থেকে ৩৫টি, চেন্নাই থেকে ২৬টি, গয়া থেকে ১১টি বিমানের যাত্রা বাতিল করা হয়। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য বিমান বন্দর থেকেও বিমান বাতিল করেছে ইন্ডিগো।
ইন্ডিগো প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার তিনশ বিমান চালায়। আগামী দুই-তিনদিনও তাদের ফ্লাইট বাতিল হবে। ইন্ডিগোর সিইও পিটার এলবারস কর্মীদের বলেছেন, পুরো অপারেশন স্বাভাবিক করা এবং ঠিক সময়ে বিমান ছাড়া ও পৌঁছানোর বিষয়টি খুব সহজে হবে না।
কেন এই অবস্থা তা জানার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় ও ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) কর্মকর্তারা ইন্ডিগোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইন্ডিগো কর্মকর্তারা সেখানে জানিয়েছেন, ডিজিসিএ বিমানকর্মীদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করেছে। সেটা বুঝতে তাদের ভুল হয়েছিল। ফলে তাদের পরিকল্পনায় গলদ ছিল। বিমানকর্মীদের সংখ্যা কমে যায়, শীতের আবহাওয়া এবং বিমানবন্দরে অত্যধিক ভিড় তাদের বিমান চলাচলকে প্রভাবিত করছে।
আদালতের নির্দেশের পর ফ্লাইট ডিউটির সময় বেঁধে দিয়েছে ডিজিসিএ। সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতেও ইন্ডিগোর অসুবিধা হয়েছে।


















