পনেরো মামলার পলাতক আসামী মোটর সাইকেল চোর কাওসার হোসেন আত্মগোপনে। নারী সাপ্লাই, দেহ ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা, চুরি ছিনতাই, বলৎকার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ একাধিক অপরাধে কুখ্যাত এ ইয়াবা সাপ্লাইয়ারের বিরুদ্ধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। পলাতক এ চিহ্নিত অপরাধী ও তার পরিবারের অপরাধের ফিরিস্তি নিয়ে ৩০ পর্বের ধারাবাহিক সাজানো হয়েছে। আজ নবম পর্ব ………………………………………………………..
ধর্ষক কাওসারের অপরাধের শেষ নেই। জগতে এমন কোন অপরাধ খুব বেশি বাকি নেই যা সে করেনি। এ যেন অন্ধকার গলির শেষ বিন্দু সে। লোক চক্ষুর অন্তরালে তার অপরাধ জগতের ডালপালা মেলেছে। শুধু সে নয়। তার পুরো পরিবারটাই বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। মা-বোন, ভাই সকলেই আছে পুলিশের হিটলিস্টে।
কাওসারের আলোচিত অপরাধের মধ্যে একটি হলো বলৎকার। এটা সে ছোটবেলা থেকেই এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেদের তার সাথের সন্ত্রাসীদের নিয়ে বলৎকার করতো। লোক লজ্জার ভয়ে কেউ মুখ খুলতো না। তেমনি একটি স্কুল ছাত্রকে বলৎকার করে র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ ১ বৎসর জেলে ছিল। ঘটনাটি ঘটেছে তার গোলাপগঞ্জের্দেএম. বি. ট্রেডার্স দোকানে।
গোলাপগঞ্জে কাওসার এম.বি ট্রেডার্স নামে একটি ফ্লেক্সিলোড ও ফটোকপির দোকান পরিচালনা করতো। দোকানের ভিতরে সে গড়ে তুলেছিল হেরেম খানা। বিভিন্ন উঠতি বয়সী ছেলেদের জোর পূর্বক ধরে এনে সে ও তার বাহিনী বলৎকার করতো। তেমনি গত ০১/০৬/২০২০ ইং তারিখে তার দোকানে ফ্লেক্সিলোড করতে আসা স্কুল ছাত্র পারভেজকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে তার দোকানে বলৎকার করে। এ নিয়ে পারভেজের মা আদালতে মামলা করলে আদালত গোলাপগঞ্জ থানাকে ঘটনার সত্যতা তদন্ত করে মামলা করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশক্রমে তৎকালীন থানা পুলিশ ঘটনার স্থান সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে বলৎকারের ধারাসহ ৩৪১/৩২৩/৩৭৭/৫০৬ ধারায় নিয়মিত মামলা করে। মামলা নং জি.আর- ০৬/২১১।
মামলার পরপরই কাওসার দোকান বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়। সে গোলাপগঞ্জ ছেড়ে সিলেটে চলে আসে। প্রতারণা করে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি স্থানীয় পত্রিকায় চাকুরী নেয়। গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে ধরতে হন্য হয়ে ঘুরে। এক পর্যায়ে বলৎকার কাওসার র্যাবের হাতে গ্রেফতার হলে সেই পত্রিকা তার আসল রুপ জেনে ছবি দিয়ে তাকে বহিস্কার করে। এই মামলায় সে দীর্ঘ বছর খানেক জেলে ছিল।
কাওসারের বলৎকারের শীকার আরো ভুক্তভোগীদের অভিভাবকরাও মামলা করেন বলে জানা যায়। এসব মামলায় সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

















