পনেরো মামলার পলাতক আসামী মোটর সাইকেল চোর কাওসার হোসেন চুদ লিং পং। নারী সাপ্লাই, দেহ ব্যবসা, ইয়াবা ব্যবসা,চেুরি ছিনতাই, বলৎকার, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলাসহ একাধিক অপরাধে কুখ্যাত এ ফতোয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ওয়ারেন্ট রয়েছে। পলাতক শতাধিক পুরুষের বীর্য থেকে সৃষ্ট এ অবৈধ সন্তান ও তার পরিবারের অপরাধের ফিরিস্তি নিয়ে ৩০ পর্বের ধারাবাহিক সাজানো হয়েছে। তার মা ও বোন ইয়াসাবহ খাসিখাল ব্রীজের নীচ থেকে ১১ দিন আগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। ইতিমধ্যে ৩ দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। আলু থ্যারাপির মধ্য দিয়ে সমাপ্ত এ রিমান্ডে তাদের অপরাধের অনেক তথ্য উদ্ধার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। চোর কাওসার ও তার ভাই ফাটা মাহবুবকে গ্রেফতারের জন্য জোর অভিযান চালাচ্ছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
এলাকায় খোজ নিয়ে জানা যায়, কাওসারের পিতা ভদ্রলোক আওলাদ হোসেন কাওসারের মায়ের চারিত্রিক সমস্যার কারণে যৌবনে তার মাকে তিন তালাক দেন। এর পর কাওসারের মা হোটেলে হোটেলে চাড়ুদারের কাজসহ বিশেষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। জন্ম নিয়ন্ত্রন বিধি সম্পর্কে অজ্ঞ কাওসারের মা অবৈধ কাজ করতে গিয়ে কাওসারসহ তিন সন্তানের জন্ম দেন। জনশ্রুতি আছে, শতাধিক পুরুষের বীর্য থেকে জন্ম কাওসার ও তার তিন ভাইবোন মায়ের রোজগারের উপর বড় হন। পিতৃপরিচয়হীন এ সন্তানেরা বাবার জায়গায় আওলাদ হোসেন লিখলেও আওলাদের হোসেনের মৃত্যুর পর তার বোন ইয়াসমিনের জন্ম হয়। তার বোন ইয়াসমিনও বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে গর্ভবতী থাকাবস্থায় মা ও মেয়েকে গত ১১দিন আগে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হন। এলাকার লোকজন জানান, কাওসারের মা ও বোন একই সাথে গর্ভবতী। এবারো শতাধিক লোকের ফসল জেল হাজতে ফলবে বলে এলাকাবাসী জানান। পারিবাহিক ভাবে নানা অপরাধে জড়িত চুদ লিং পংদের বিষয় নিয়ে বিস্তারিত ধারাবাহিক শুরু হবে কাল থেকে। চোখ রাখুন ঢাকা ভিউয়ে…………………………….



















